ইসলামাবাদে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে টানা ২১ ঘণ্টার দীর্ঘ আলোচনা শেষ হয়েছে। আলোচনার অগ্রগতি ও মূল বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছে তেহরান। রবিবার এক্স (সাবেক টুইটার)-এ দেওয়া বিবৃতিতে ইরানের
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য জলপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১৫টি জাহাজ যেতে পারবে। যুক্তরাষ্ট্রকে ইরান ১০ শর্তের যে প্রস্তাবনা পাঠিয়েছে, সেসবের মধ্যে একটি শর্ত এটি বলে জানিয়েছে রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত
লেবাননের রাজধানী বৈরুত ও অন্যান্য অঞ্চলে ইসরায়েলের আগ্রাসী হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে কমপক্ষে ২৫৪ জনে পৌঁছেছে। সেই সঙ্গে এখন পর্যন্ত আহত হয়েছেন ১ হাজার ১০০ জনেরও বেশি মানুষ। নিহত ও
ইরান বুধবার ভোরে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ‘নীতিগতভাবে’ তাদের ১০ দফা প্রস্তাব মেনে নিয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার সংস্থা আইআরআইবি এই তথ্য জানিয়েছে। ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল এক বিবৃতিতে বলেছে, এই প্রস্তাবটি
ইরানে চলমান মার্কিন আগ্রাসনের মধ্যে গত ৩ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের একটি এফ-১৫ ইগল যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেন ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সেনারা। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই এক ক্রু সদস্য বা পাইলটকে উদ্ধার করে মার্কিন বাহিনী।
হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে চলমান চরম উত্তেজনার মধ্যে আজ মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবের ওপর ভোটাভুটি হতে পারে। এই প্রস্তাবের মূল লক্ষ্য হলো প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের
জুলাই সনদ ও সংস্কার পরিষদের ওপর আনীত মুলতবি প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ সংবিধানের কার্যকারিতা এবং বর্তমান সরকারের সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে কড়া বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে
ট্রুথ সোশ্যালের এক পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের উদ্দেশে হুমকি দিয়ে বলেছেন, মঙ্গলবার হবে ইরানে সব কিছু গুড়িয়ে এক করে দেওয়া হবে। এর কিছুক্ষণ পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আবার আশা
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান যুদ্ধের মধ্যে ইরান থেকে তেল কিনছে ভারতের পরিশোধনাগারগুলো। গতকাল শনিবার দেশটির তেল মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেল আমদানিকারক ও ভোক্তা
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে শনিবার (৪ এপ্রিল) রাতে বিএনপির স্থায়ী কমিটি বৈঠক হয়। বৈঠকে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান (ভার্চুয়াল), মির্জা