শিরোনাম
অগ্রণী ব্যাংকে মহান স্বাধীনতা দিবস উদ্‌যাপন মাত্র ৩ কার্যদিবসের মধ্যে জেনিথ ইসলামী লাইফের মৃত্যুদাবীর চেক হস্তান্তর সাবেক সচিব ইউনুসুর রহমান যমুনা অয়েলের নতুন চেয়ারম্যান ওয়ালটন পণ্য কিনে উপহার পেলেন আরও ২৭ ক্রেতা মঙ্গলবার থেকে পুঁজিবাজারে টানা ৭ দিনের ঈদের ছুটি শুরু ই-রিটার্ন দাখিল করেছেন প্রায় ৪১ লাখ করদাতা: এনবিআর ঈদের ছুটিতে সীমিত পরিসরে খোলা থাকবে ব্যাংক, লেনদেন চলবে কত ঘণ্টা? থ্যালাসেমিয়া রোগের চিকিৎসায় ১০ লাখ টাকা দিল শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক আর্থিক খাতের উন্নয়নে বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস বিশ্বব্যাংকের একীভূতকরণ প্রক্রিয়ায় ওয়ালটন হাই-টেককে অনাপত্তিপত্র দিয়েছে বিএসইসি

পুঁজিবাজারে সবচেয়ে বড় সমস্যা আস্থার সংকট: ডিবিএ সভাপতি

  • Update Time : Thursday, November 27, 2025

পুঁজিবাজারে সবচেয়ে বড় সমস্যা আস্থার সংকট বলে মন্তব্য করেছেন ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সাইফুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) রাজধানীর পল্টনে ইকনোমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) অডিটরিয়ামে ‘অর্থনৈতিক সাংবাদিকতা’ শীর্ষক গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন তিনি।

সাইফুল ইসলাম বলেন, আমাদের মার্কেট ২০১০ সালের পর প্রকৃত অর্থে ৫০ শতাংশ ডাউন। এই সরকার আসার পরে আপনারা সবাই জানেন যে আমরা, স্থানীয় বিনিয়োগকারী এবং আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীরা একটা আসার আলো দেখতে পেয়েছিলাম। মোটামুটিভাবে আমাদের ইন্ডেক্স এবং যে ভলিউম সেটা কয়েক বছরের মধ্যে ঊর্ধমুখী হয়, কিন্তু তারপরে ধারাবাহিকভাবে নিম্নমুখী।

তিনি বলেন, আমরা প্রায় চার পাঁচ মাস যাওয়ার পরে ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যকে বিশেষ অনুরোধ করলাম যে, আমরা একটা প্রোগ্রাম করি আপনি কিছু বলুন যাতে লোকজন আস্থা ফিরে পায়। আমাদের এখানে সবচেয়ে বড় সমস্যা যেটা সেটা হলো আস্থার সংকট। তিনি আসলেন, আমরা একটা প্রোগ্রাম করলাম। তারপরে যদি দেখেন যে আবার মার্কেট ঊর্ধমুখী। এটা আমাদের সঙ্গে সাংঘাতিকভাবে কাজ করেছে।

ডিবিএ সভাপতি বলেন, তারপরে সরকার এবং লোকজন আস্থা ফিরে পেল যে আচ্ছা ঠিক আছে। আমরা মোটামুটিভাবে কিছুটা স্বস্তি পেলাম কয়েক মাস ধরে। কিন্তু কয়েকদিন ধরে তো আপনারা দেখতেই পাচ্ছেন। এর কারণ, আস্থার অভাব এবং ১৫ বছরের জঞ্জাল তো আছেই।

তিনি আরও বলেন, মানুষ যতদিন পর্যন্ত মার্কেটে না আসবে ততদিন পর্যন্ত আমরা যতই চেষ্টা করি একটা আসল পুঁজিবাজার গঠন করা সম্ভব না।

ব্যাংক খাতের অবস্থা তুলে ধরে তিনি বলেন, আজকে যে ব্যাংকিং সেক্টরের যে অবস্থা এই সেক্টরে যে এই অবস্থা হবে এটা তো সিপিডি অনেকদিন থেকেই বলছে এবং আমরা অনেকদিন ধরে বলে আসছি। কারণ গত ১০ বছর ধরে দেখা যাচ্ছিল যে ফাইনান্সিয়াল স্টেটমেন্ট টোটালি ফ্যাব্রিকেটেড।

তিনি বলেন, আমাদের এখানে দুইটা নিয়ম মানার কথা। একটা ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড আরেকটা ইন্টারন্যাশনাল অডিটিং স্ট্যান্ডার্ড। এখানে লেখা আছে যে আপনাকে কি করতে হবে। কিন্তু আমাদের ফাইন্যান্সিয়াল স্টেটমেন্টগুলি কোনটাই কোন সময় তা করতো না।

আর্থিক প্রতিবেদনের জালিয়াতির কথা উল্লেখ করে সাইফুল ইসলাম বলেন, যে কোম্পানি চলার মত না কিন্তু চলে যাচ্ছে এবং ডিভিডেন্ড দিয়ে যাচ্ছে। ডিভিডেন্ড, ফাইনান্সিয়াল স্টেটমেন্ট বলেন ক্যাপিটাল বলেন সবকিছুই কাগুজে। কোম্পানিতে কোন পুঁজি সরবরাহ হয়নি। আমাদের এখানে পাঁচ থেকে সাতটা ব্যাংক ছাড়া কারো সম্প্রসারণের মতো ক্যাপিটাল নাই। যদি ক্যাপিটাল এক্সপ্যান্ড না করে তাহলে ব্যাংক কিভাবে টিকে থাকবে বলেও প্রশ্ন রাখেন তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025 pujibazarpratidin
Site Customized By NewsTech.Com