রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে স্পিকারের সঙ্গে কমিশনের বৈঠক একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। ওই বৈঠকের পর তপশিল ঘোষণা এবং নির্বাচনের পরবর্তী কার্যক্রম নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তিনি জানান, প্রচলিত রেওয়াজ অনুযায়ী তপশিল ঘোষণার আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) স্পিকারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সেই ধারাবাহিকতায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।
এর আগে একই দিন সিইসির কার্যালয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রশাসনিক প্রস্তুতি ও আইনগত বিষয় পর্যালোচনায় একটি অনির্ধারিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সব নির্বাচন কমিশনার এবং ইসি সচিব উপস্থিত ছিলেন। সেখানে স্পিকারের সঙ্গে বৈঠক শেষে তপশিল ঘোষণার বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন মো. সাহাবুদ্দিন। এরপর সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
সংবিধানের বিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে সংসদ সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।