টানা চার কার্যদিবস দরপতনের পর বুধবার দেশের শেয়ারবাজারে কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা দিয়েছিল। তবে এক দিন পরই আবার দরপতন হয়েছে। সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) কমেছে সব কটি মূল্যসূচক। যদিও লেনদেনের পরিমাণ কিছুটা বেড়েছে। অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) প্রধান মূল্যসূচক বেড়েছে।
বৃহস্পতিবার ডিএসইতে লেনদেনের শুরুতে বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বাড়ছিল। ফলে সূচকও বাড়তে থাকে। তবে প্রথম ঘণ্টার পর বাজারের চিত্র বদলে যায়। একের পর এক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম কমতে শুরু করে। শেষ পর্যন্ত দাম কমার তালিকাই বড় হয়।
দিন শেষে ডিএসইতে ৮৫টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ২৪২টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৫৮টির।
বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম কমায় ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ১৮ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৫৩১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসই-৩০ সূচক ৪ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ১০৩ পয়েন্টে এবং ডিএসই শরিয়াহ্ সূচক ২ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ১০০ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
দরপতনের মধ্যেও ডিএসইতে লেনদেন বেড়েছে। এদিন ৭২৩ কোটি ১১ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৬৯৯ কোটি ১১ লাখ টাকা। অর্থাৎ এক দিনের ব্যবধানে লেনদেন বেড়েছে ২৪ কোটি টাকা।
লেনদেনে সবচেয়ে বেশি ছিল আইপিডিসি ফাইন্যান্সের শেয়ার। কোম্পানিটির ৫০ কোটি ৯৯ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এরপর মালেক স্পিনিংয়ের ৪৬ কোটি ২৮ লাখ টাকা এবং প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের ২৫ কোটি ২৩ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়।
লেনদেনের শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় আরও ছিল সায়হাম টেক্সটাইল, শার্প ইন্ডাস্ট্রিজ, ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং, সায়হাম কটন, ইভিন্স টেক্সটাইল, এনভয় টেক্সটাইল ও আর্গন ডেনিমস।
সিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ১৮৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৭১টির শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। কমেছে ৮৪টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৩৩টির। এরপরও সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই ১৭ পয়েন্ট বেড়েছে। এদিন সিএসইতে ১৫ কোটি ৭৭ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে হয়েছিল ৪৬ কোটি ৮৬ লাখ টাকা।