আইসিটি খাতের উন্নয়ন এবং পরিবেশবান্ধব কারখানা ও শিল্প প্রতিষ্ঠান নির্মাণে গ্রাহকদের স্বল্প সুদে ঋণ সুবিধা দিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে অংশগ্রহণ চুক্তি করেছে ডাচ-বাংলা ব্যাংক পিএলসি।
এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাস্টেইনেবল ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্টের সঙ্গে দুটি পৃথক অংশগ্রহণমূলক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ব্যাংকটি। চুক্তির আওতায় ‘গ্রিন ফ্যাক্টরি বিল্ডিং ও গ্রিন ইন্ডাস্ট্রিজ পুনঃঅর্থায়ন স্কিম’ এবং ‘আইসিটি খাত উন্নয়ন পুনঃঅর্থায়ন স্কিম’-এর সুবিধা পাবেন সংশ্লিষ্ট গ্রাহকরা।
চুক্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাস্টেইনেবল ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্টের পরিচালক এ. কে. এম. নুরুননবী এবং ডাচ-বাংলা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ এহতেশামূল হক খান নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন। এ সময় উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
চুক্তি অনুযায়ী, গ্রিন ফ্যাক্টরি বিল্ডিং ও গ্রিন ইন্ডাস্ট্রিজ পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের আওতায় পরিবেশবান্ধব কারখানা ও ভবন নির্মাণে অর্থায়ন করা হবে। এর মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো নির্মাণকে উৎসাহিত করার পাশাপাশি রপ্তানি সক্ষমতা বাড়ানো এবং পরিবেশ দূষণ কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এ স্কিমে মোট ১ হাজার কোটি টাকার ঘূর্ণায়মান তহবিল রয়েছে। এর আওতায় একজন একক গ্রাহক ৫ শতাংশ সুদে সর্বোচ্চ ১০০ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা পেতে পারবেন।
অন্যদিকে, আইসিটি খাত উন্নয়ন পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের আওতায় উন্নয়ন পরিকল্পনায় অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত আইসিটি খাত ও এর উপখাতের উদ্যোক্তাদের অর্থায়নের সুযোগ থাকবে। হাই-টেক পার্ক, সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে উৎপাদিত পণ্য ও সেবা এবং আইসিটি খাতের নারী উদ্যোক্তাদের এ স্কিমের আওতায় অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
এই স্কিমের আওতায়ও মোট ১ হাজার কোটি টাকার ঘূর্ণায়মান তহবিল রয়েছে। একজন গ্রাহক ৪ শতাংশ সুদে সর্বোচ্চ ৫০ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা নিতে পারবেন।
ডাচ-বাংলা ব্যাংকের সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের এ অংশগ্রহণ চুক্তির ফলে আইসিটি খাতের উদ্যোক্তা এবং পরিবেশবান্ধব শিল্প স্থাপনে আগ্রহী গ্রাহকদের জন্য স্বল্প সুদের পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হলো।