শিরোনাম
মিউচুয়াল ফান্ডের প্রসারে লাইসেন্সধারী এজেন্ট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে: বিএসইসি চেয়ারম্যান ওয়ালটনের প্রযুক্তি ও উৎপাদন সক্ষমতায় মুগ্ধ এমইএস নোয়াখালী ও কুমিল্লা অঞ্চল নিয়ে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের স্ট্র্যাটেজিক কনক্লেভ অনুষ্ঠিত লিন্ডেবিডির বোর্ড সভা ১৫ অক্টোবর বিশ্ববাজারে বাড়লো স্বর্ণের দাম টানা দুই প্রান্তিকে কমলো নতুন বিদেশি বিনিয়োগ, চাপে ব্যাংক খাত শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক এবং তুরাগ অ্যাকটিভের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত দরপতনের শীর্ষে মিউচুয়াল ফান্ড বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে মারুবেনি করপোরেশনকে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান নাভানা ফার্মার বোর্ড সভা ১৫ অক্টোব

বিশ্বকাপের ফাইনালে তিনটি লাল কার্ড দেখা একমাত্র দেশ আর্জেন্টিনা

  • Update Time : Tuesday, July 21, 2026

স্পেনের বিরুদ্ধে ১-০ গোলে পরাজিত হয়ে ফুটবল বিশ্বকাপের শিরোপা হাতছাড়া করেছে আর্জেন্টিনা। খেলার শেষ মুহূর্তে দলের মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজ লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন।

ক্রীড়া বিষয়ক ওয়েবসাইট ‘স্পোর্টস মোল’-এর তথ্য অনুযায়ী, এই কাণ্ডের মাধ্যমে বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম কোনো দেশ হিসেবে ফাইনালে তিনটি লাল কার্ড দেখার অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ড গড়ল আলবিসেলেস্তেরা।

রেফারি স্ল্যাভকো ভিনচিচকে অশ্রদ্ধা প্রকাশের কারণে প্রথম হলুদ কার্ডটি দেখেন চেলসি মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজ। ম্যাচটি যখন নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা শেষ করে অতিরিক্ত সময়ের তিন মিনিটে পৌঁছায়, তখন স্প্যানিশ ডিফেন্ডার পাউ কুবার্সির ওপর একটি অপ্রয়োজনীয় ফাউল করে বসে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন তিনি।

ম্যাচটিকে টাইব্রেকারে নিয়ে যাওয়ার যখন আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছিল লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা, ঠিক তখনই ১০ জনের দলে পরিণত হয় আর্জেন্টিনা।

তবে ম্যাচের ফলাফল নির্ধারিত হয় ১০৬তম মিনিটে। নিকো উইলিয়ামসের চমৎকার নকডাউন থেকে সুযোগ কাজে লাগিয়ে ম্যাচের একমাত্র গোলটি করেন স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড ফেরান তোরেস।

উল্লেখ্য, এই হারের ম্যাচে পুরো ৯০ মিনিট জুড়ে আর্জেন্টিনা প্রতিপক্ষের পোস্টে একটিও গোলমুখে শট রাখতে পারেনি।

আর্জেন্টিনার তিক্ত রেকর্ড 

বিশ্বকাপ ফাইনালে খেলোয়াড় বহিষ্কার হওয়ার তালিকায় এনজো ফার্নান্দেজ অনুসরণ করলেন তার দুই পূর্বসূরি পেদ্রো মনজোন এবং গুস্তাভো দেজোত্তিকে। তারা দুজনই ১৯৯০ সালের ফাইনালে পশ্চিম জার্মানির বিরুদ্ধে ১-০ গোলে হারের ম্যাচে লাল কার্ড পেয়েছিলেন—বিশ্বকাপ ফাইনালে কোনো একটি নির্দিষ্ট দলের দুজন খেলোয়াড় লাল কার্ড দেখার ঘটনা সেটাই ছিল একমাত্র।

এর আগে সর্বোচ্চ দুটি লাল কার্ড নিয়ে ফ্রান্স ও আর্জেন্টিনা যৌথভাবে এই অনাকাঙ্ক্ষিত তালিকার শীর্ষে ছিল। ফ্রান্সের হয়ে ১৯৯৮ সালে মার্সেল দেসাই এবং ২০০৬ সালে মার্কো মাতেরাজ্জিকে মাথা দিয়ে আঘাত করার জেরে জিনেদিন জিদান লাল কার্ড দেখেন।

তবে রোববারের (১৯ জুলাই) এই ঘটনার পর এককভাবে এই বাজে রেকর্ডের মালিক এখন আর্জেন্টিনা।

অন্যদিকে, এই পরাজয় বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় মঞ্চে আর্জেন্টিনার বেদনাময় ইতিহাসকে আরও প্রসারিত করল। ১৯৩০, ১৯৯০ এবং ২০১৪ সালের ফাইনাল হারার পর এখন তাদের ঝুলিতে মোট চারটি রানার্সআপ ট্রফি যোগ হলো, যা বিশ্বমঞ্চে যৌথভাবে জার্মানির সঙ্গে সর্বোচ্চ ফাইনাল হারের রেকর্ড।

ফলে আর্জেন্টিনা তিনটি শিরোপা (১৯৭৮, ১৯৮৬ এবং ২০২২) জয়ের পাশাপাশি এই হতাশার রেকর্ডটিরও ভাগিদার হলো।

সূত্র: ইয়াহু স্পোর্টস  

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026 pujibazarpratidin
Site Customized By NewsTech.Com