শুরু হচ্ছে ৫ কোটি বৃক্ষরোপণের জাতীয় অভিযান ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’

  • Update Time : Monday, June 29, 2026

জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলা ও পরিবেশ সংরক্ষণে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করতে আজ থেকে দেশব্যাপী শুরু হচ্ছে বৃহৎ পরিসরের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’। আগামী পাঁচ বছরে দেশের স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে ৫ কোটি গাছের চারা রোপণের এই মেগা প্রকল্পটির আজ আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

একইসঙ্গে সরকারের এই সবুজায়ন কর্মসূচি সফল করতে দেশের মাধ্যমিক ও প্রাথমিক পর্যায়ের হাজারো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একযোগে শুরু হচ্ছে বিশেষায়িত এই বনায়ন কার্যক্রম।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের যৌথ পরিকল্পনায় আজ দুপুর ২টায় দেশব্যাপী শুরু হচ্ছে বৃহৎ পরিসরের এই সবুজায়ন উৎসব। রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত একটি বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে সমগ্র বাংলাদেশে ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণের যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল, এই উদ্যোগ মূলত তারই একটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ। প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গেই দেশের সব স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একযোগে এই কার্যক্রম উদযাপিত হবে।

এই কর্মসূচির আওতায় ইতোমধ্যেই মাধ্যমিক পর্যায়ের ২৯ হাজারের বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এককালীন ৫ হাজার টাকা করে ‘জলবায়ু অনুদান’ দেওয়া হয়েছে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, এই অর্থ ব্যবহার করে প্রতিটি প্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গণে বাধ্যতামূলকভাবে অন্তত একটি ফলদ, একটি বনজ ও একটি ঔষধি, এই তিন ধরনের বৃক্ষের চারা রোপণ করতে হবে। মাধ্যমিকের পাশাপাশি দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর খেলার মাঠ ও আশপাশের খালি আঙিনাতেও এই সবুজায়ন কার্যক্রম ব্যাপকভাবে বিস্তৃত করা হবে।

লেইস প্রকল্পের আওতায় দেশের ২৯ হাজার ৬২১টি মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এই সবুজায়ন ও জলবায়ু সচেতনতা মিশনের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১৮ হাজার ৯০৭টি বিদ্যালয়, ১ হাজার ৪৪৬টি স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং ৯ হাজার ২৬৮টি দাখিল স্তরের মাদ্রাসা

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি প্রতিরোধ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সচেতন করার লক্ষ্যেই শিক্ষা মন্ত্রণালয় এই উদ্যোগ নিয়েছে। সম্পূর্ণ কার্যক্রমটি পরিচালিত হবে সরকার এবং বিশ্বব্যাংকের যৌথ অর্থায়নে ‘লার্নিং অ্যাক্সিলারেশন ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন’ (লেইস) প্রকল্পের বিশেষায়িত তত্ত্বাবধানে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, লেইস প্রকল্পের আওতায় দেশের ২৯ হাজার ৬২১টি মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এই সবুজায়ন ও জলবায়ু সচেতনতা মিশনের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১৮ হাজার ৯০৭টি বিদ্যালয়, ১ হাজার ৪৪৬টি স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং ৯ হাজার ২৬৮টি দাখিল স্তরের মাদ্রাসা। এই অনুদান দিয়ে জলবায়ু সচেতনতামূলক র‍্যালি, সেমিনার এবং ব্যানার ও ফেস্টুন তৈরির মাধ্যমে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানো হবে।

লেইস প্রকল্পের তথ্য অনুযায়ী, রোপণ করা গাছগুলোর প্রবৃদ্ধি ও বেঁচে থাকার হার নিশ্চিত করতে ‘মাই ট্রি মনিটরিং’ নামে একটি বিশেষায়িত ডিজিটাল অ্যাপ প্রস্তুত করা হচ্ছে। এই অ্যাপের মাধ্যমে প্রতিটি গাছের সর্বশেষ পরিস্থিতি এবং সংখ্যার হালনাগাদ তথ্য নিয়মিত সংরক্ষণ করা হবে।

বর্তমানে দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রায় ১ কোটি ৬ লাখ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। এই বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীকে কাজে লাগিয়ে প্রতি বছর মোট ১ কোটি করে আগামী ৫ বছরে মোট ৫ কোটি চারা রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রতি বছর শিক্ষার্থীরা ব্যক্তিগতভাবে লাগাবে প্রায় ৮০ লাখ গাছ এবং দেশের বিদ্যালয়গুলোর নিজস্ব আঙিনায় রোপণ করা হবে আরও ২০ লাখ গাছ

তাছাড়া এই বনায়ন কার্যক্রমের তৃণমূল তদারকির জন্য উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে একটি শক্তিশালী সমন্বয় কমিটি গঠিত হবে, যার নেতৃত্বে থাকবেন সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং জেলা প্রশাসক (ডিসি)। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানরা নিয়মিতভাবে তাদের প্রতিষ্ঠানের গাছের অগ্রগতি সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য এই কমিটির কাছে পাঠাবেন।

আগ্রাসী বিদেশি প্রজাতি নয়, বৃক্ষরোপণে অগ্রাধিকার পাবে দেশীয় গাছ

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, বৃক্ষরোপণ প্রকল্পে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক বা আগ্রাসী কোনো বিদেশি জাতের গাছ রোপণ করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, আকাশমণির মতো পরিবেশ-অবান্ধব বিদেশি গাছ এই তালিকায় স্থান পাবে না। এর পরিবর্তে মাটির উর্বরতা ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় দেশীয় ফলদ ও ঔষধি গাছকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।

এদিকে কেবল গাছ লাগানোই নয়, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ পরিস্থিতি ও দুর্যোগ মোকাবিলায় শিক্ষার্থীদের মানসিকভাবে প্রস্তুত করতে দেশের ১১ হাজার শিক্ষককে দেওয়া হচ্ছে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ। লেইস প্রকল্পের বিশেষ নির্দেশিকায় শিক্ষার্থীদের প্রায়োগিক জ্ঞান দানের লক্ষ্যে একটি সুনির্দিষ্ট গাইডবুকও তৈরি করা হয়েছে। ইতোমধ্যেই এই কার্যক্রমের আওতায় ২ হাজার শিক্ষক সফলভাবে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন। তারা নিজ নিজ বিদ্যালয়ে ফিরে গিয়ে প্রায় ৪৫ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য বিশেষ লেসন বা পাঠদান ক্লাসের আয়োজন করেছেন।

এছাড়া মাধ্যমিকের পাশাপাশি দেশের প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরও (ডিপিই) প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে সবুজায়নের এক বিশাল কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ দর্শনের অংশ হিসেবে দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বর্তমান সরকারের মেয়াদে আরও ৫ কোটি গাছ রোপণ করবে।

ডিপিই সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রায় ১ কোটি ৬ লাখ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। এই বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীকে কাজে লাগিয়ে প্রতি বছর মোট ১ কোটি করে আগামী ৫ বছরে মোট ৫ কোটি চারা রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রতি বছর শিক্ষার্থীরা ব্যক্তিগতভাবে লাগাবে প্রায় ৮০ লাখ গাছ এবং দেশের বিদ্যালয়গুলোর নিজস্ব আঙিনায় রোপণ করা হবে আরও ২০ লাখ গাছ।

বৃক্ষরোপণের ক্ষেত্রে জায়গা নির্ধারণের যে সমস্যা সাধারণত দেখা যায়, তা দূর করতে দেশের প্রায় ৬৫ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ এবং আশপাশের খালি পড়ে থাকা জমি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অনেক বিদ্যালয়ে সীমানা প্রাচীর না থাকায় চারাগাছগুলোর নিরাপত্তার যে ঘাটতি রয়েছে, নিয়মিত গাছ লাগানোর মাধ্যমে সেই সমস্যারও স্থায়ী সমাধান সম্ভব হবে বলে আশা করছে অধিদপ্তর। বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ ছাড়াও শিক্ষার্থীরা তাদের নিজেদের বসতবাড়ি বা ভাড়া বাড়ির চারপাশের খালি জায়গায় এসব চারা রোপণ করতে পারবে। এই কর্মসূচির প্রয়োজনীয় সমস্ত চারাই বন বিভাগ থেকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সংগ্রহ করে বিদ্যালয়গুলোতে সরবরাহ করা হবে।

আর বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে রোপণ করা ২০ লাখ গাছের রক্ষণাবেক্ষণের সার্বিক দায়িত্ব থাকবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায়। এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকে টেকসই করতে একে সহপাঠ্যক্রমিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া হচ্ছে। পাঠ্যপুস্তকে পরিবেশ সংরক্ষণ ও বৃক্ষের গুরুত্ব নিয়ে অধ্যায় যুক্ত করার পাশাপাশি বছর শেষে শিক্ষার্থীদের বার্ষিক মূল্যায়নের সময় তাদের রোপণ করা গাছের যত্নের বিষয়টিও শিক্ষকরা বিবেচনায় নেবেন। এছাড়া সফলভাবে এই কর্মসূচি বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে উৎসাহিত করতে ‘শ্রেষ্ঠ সবুজ বিদ্যালয়’ পুরস্কারে ভূষিত করা হবে।

উচ্চশিক্ষায় গুরুত্ব পাচ্ছে ‘গ্রিন ক্যাম্পাস’

এই সবুজ বিপ্লবের ঢেউ লেগেছে দেশের উচ্চশিক্ষার আঙিনাতেও। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে আধুনিক, প্রযুক্তিমনস্ক এবং পরিবেশবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলার জন্য ‘গ্রিন ক্যাম্পাস’ বা সবুজ ক্যাম্পাস নীতির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে দেশের বৃহত্তম এই উচ্চশিক্ষা পরিবারের প্রতিটি শিক্ষার্থীকে পরিবেশ রক্ষার কার্যক্রমে যুক্ত করা হবে। আগামী ৫ বছরের মধ্যে দেশব্যাপী জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে মোট ২ কোটি বৃক্ষ রোপণ এবং সেগুলোর যথাযথ পরিচর্যা নিশ্চিত করার জন্য এরই মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট অধিবেশনে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

উপাচার্য ও সিনেট চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে সম্পূর্ণ প্রযুক্তিমনস্ক, আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে ‘গ্রিন ক্যাম্পাস’ তৈরির বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে দেশের সর্ববৃহৎ এই উচ্চশিক্ষা পরিবারের প্রতিটি শিক্ষার্থীকে এই সবুজ বিপ্লবের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা হবে। আগামী ৫ বছরে দেশব্যাপী ২ কোটি বৃক্ষ রোপণ ও তা পরিচর্যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা পরিবেশ সুরক্ষায় সরাসরি ভূমিকা রাখবে।

দেশব্যাপী এই মেগা বৃক্ষরোপণ অভিযান নিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের এই কঠিন ও বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের শিক্ষার্থীরাই সবচেয়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারে। মূলত তারাই আগামী দিনে পরিবেশ রক্ষার মূল হাতিয়ার এবং অগ্রসৈনিক হিসেবে কাজ করবে। আর সে কারণেই সরকারের এই বনায়ন ও জলবায়ু সচেতনতার সমস্ত কর্মসূচিকে সম্পূর্ণভাবে শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক করে সাজানো হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির সর্বস্তরের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের এই সবুজ বিপ্লবে স্বতঃস্ফূর্তভাবে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রাঙ্গণই সবুজ হবে না, বরং শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের বিকাশ ঘটবে, আনন্দময় শিক্ষা নিশ্চিত হবে এবং তারা ভবিষ্যতের দায়িত্বশীল সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে। একই সঙ্গে দেশীয় প্রজাতির চারা রোপণ ও প্রযুক্তির মাধ্যমে তা পর্যবেক্ষণ করার এই পুরো প্রক্রিয়াটি বাংলাদেশের পরিবেশ সুরক্ষার ইতিহাসে একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

এদিকে মাউশির এক অফিস আদেশেও দেশের সব মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আজকের এই জাতীয় কর্মসূচিতে একযোগে অংশগ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, সোমবার (২৯ জুন) দুপুর ২টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র প্রাঙ্গণে একটি চারা রোপণ করে এই মেগা অভিযানের শুভ উদ্বোধন করবেন। ঠিক একই সময়ে দেশের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট এলাকার স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে একযোগে বৃক্ষরোপণ শুরু হবে। জাতীয় পর্যায়ের মূল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি টেলিভিশন ও বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি গণমাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। তাছাড়া আধুনিক ভিডিও কনফারেন্সিং ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের নির্বাচিত কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যুক্ত হওয়ার এক অনন্য সুযোগ পাবেন।

একইসঙ্গে এই সবুজ বিপ্লব সফল করতে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করার এবং ক্যাম্পাসগুলোতে জলবায়ু বিষয়ক ব্যানার ও ফেস্টুন টাঙানোর পাশাপাশি বর্ণাঢ্য র‍্যালির আয়োজন করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026 pujibazarpratidin
Site Customized By NewsTech.Com